English Version
আপডেট : ২২ জুন, ২০১৬ ১৬:০৭

‘গুপ্তহত্যার জন্য শক্তিধর দেশগুলো দায়ী’

অনলাইন ডেস্ক
‘গুপ্তহত্যার জন্য শক্তিধর দেশগুলো দায়ী’

বাংলাদেশের গুপ্তহত্যার জন্য শক্তিধর দেশগুলোকে দায়ী করে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ‘সেই একই শক্তি এবং দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীরা মিলে জঙ্গি কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

দশম সংসদের একাদশ অধিবেশনে বুধবার (২২ জুন) ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘শক্তিধর দেশগুলোকে দুটো কথা বলতে চাই। ওরা সর্প হইয়া দংশন করে, ওঁঝা হইয়া ঝাড়ে। তারা ওসামা বিন লাদেনকে পালাপোষা করে, আবার প্রয়োজন ফুরালে বডি ব্যাগ বানিয়ে সমুদ্রে ফেলে দেয়।’

যুক্তরাষ্ট্রে নৈশক্লাবে হামলা এবং যুক্তরাজ্যে এমপি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাসী দেখছে এদের তৈরি সেই শক্তিধর দেশগুলোতে একের পর এক জঙ্গি হামলায় গণ্ডায় গণ্ডায় মানুষতো বটেই পার্লামেন্ট মেম্বার পর্যন্ত নিহত হয়েছেন। কথায় বলে ‘ঘুটে পোড়ে গোবর হাসে’ আমরা কিন্তু হাসি না, আমরা কষ্ট পাই।’

তিনি বলেন, ‘তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, বর্তমানে সবারই কপালে একটু ভাঁজ পড়েছে। বানরের লেজে আগুন দিয়ে ছেড়ে দিয়েছিল অন্যের বাড়িতে আগুন লাগাতে। এখন সেই আগুন নিজেদের বাড়িতেও ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের সবার মনে রাখতে হবে ব্যাধি সংক্রামক, সুস্থতা সাবধানতা সহকারে পরিচর্যার মাধ্যমে অর্জন করতে হয়।’

জঙ্গিবাদ বিরোধী ফতোয়ার জন্য আলেমদের ধন্যবাদ জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘ফতোয়ার জন্য দস্তখত সংগ্রহেও বাঁধা দিয়েছিল জঘন্য খুনি জঙ্গিরা। এ জঙ্গিদের কর্মকাণ্ডে সারাবিশ্বে শান্তির ধর্ম ইসলামে বিশ্বাসী মুসলমানদের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরির বাজার হুমকির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মহাজোট সরকারের বিশ্ব প্রশংসিত উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা নষ্ট করার জন্য জামায়াত-বিএনপি তথা জঙ্গি শক্তি চোরগোপ্তা হত্যায় মেতে উঠেছে। বিশ্ববাসী ভুলে যায়নি ২০০১ এর পর গোপাল কৃষ্ণ মুহুরীর মাথায় গুলিবিদ্ধ সেই ছবি, বাংলাদেশ ভুলে যায়নি বাঁশখালীতে গানপাউডার দিয়ে একটি পরিবারকে পুড়িয়ে মারার কথা। আজ সেই একই বিএনপি-জামায়াত, মুসলিম বিশ্ব কর্তৃক ত্যাজ্য ইসরাইলি রাষ্ট্রের গোয়েন্দা বাহিনী মোসাদের সঙ্গে মিলে ষড়যন্ত্র করে চেষ্টা করছে বাংলাদেশে ত্রাস ও নৈরাজ্য কায়েম করতে।’