English Version
আপডেট : ৫ জুন, ২০১৬ ১৮:৫৯

এসডিজি সবকটি লক্ষ্যে অর্জনে সরকার বদ্ধপরিকর

অনলাইন ডেস্ক
এসডিজি সবকটি লক্ষ্যে অর্জনে সরকার বদ্ধপরিকর

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এমডিজি) নির্ধারিত ৮টি লক্ষ্যের সবকটি কেবল অর্জনই করেনি বরং লক্ষ্যসমূহ অর্জনে বিরল সফলতা দেখিয়ে ৮টি পুরস্কার অর্জন করেছে। অনুরূপভাবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) নির্ধারিত ১৭টি লক্ষ্যের সবকটি অর্জনে সরকার বদ্ধপরিকর এবং সবকটি পুরস্কার অর্জনেও আমরা আশাবাদী। এ জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ অপরিহার্য।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইউএনডিপি আয়োজিত বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক বাণিজ্যের গুরুত্ব-বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সদস্য ড. শামসুল আলম, ইউএনডিপি কান্ট্রি ডিরেক্টর পাইলিন টামেসিস, ইউএনডিপির প্রাইভেট সেক্টর উপদেষ্টা শাবা সোবানি, বেসরকারি সংস্থা বিল্ড-এর চেয়ারপারসন আসিফ ইব্রাহিম এবং নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্টের ইনক্লুসিভ বিজনেস ডিরেক্টর জামাল উদ্দিন বক্তৃতা দেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমাদের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে বেসরকারি খাত। কর্মমুথী শিক্ষা বিস্তার, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন গতিশীলতার জন্য প্রয়োজন কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা। অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

এছাড়া গ্রাম এবং শহরের মধ্যে ব্যবধান কমানো টেকসই উন্নয়নের জন্য খুবই অপরিহার্য। সরকার সে লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রভাব উন্নয়নের অন্যতম বাধা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্বের শিল্পোন্নত ৫টি দেশ শতকরা ৫৫ ভাগ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কার্বন নির্গমন করছে।

অথচ কার্বন নির্গমনকারী দেশ না হয়েও আমাদের পরিবেশগত বিপর্যয়ের বিরাট ঝুঁকি সামলাতে হচ্ছে। এ সকল নানা ঝুঁকি সত্ত্বেও বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে বদ্ধপরিকর।