English Version
আপডেট : ২ জুন, ২০১৬ ১৯:২৫

সিগারেটের ওপর শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক
সিগারেটের ওপর  শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব

২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটের ওপর বিদ্যমান কর ‍ও সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় সিগারেটের ওপর কর ও সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

মুহিত বলেন,  দীর্ঘদিন যাবৎ সিগারেটের উপর হতে কর আদায়ের ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক সিগারেটের মূল্যসীমা নির্ধারণ করে দেয়ার একটি রেওয়াজ প্রচলিত ছিল- যা বাজার অর্থনীতিতে মোটেও কাম্য নয়। এখন সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্যই শুধু নির্ধারণ করা হবে এবং সেটা আমরা ১৮ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ২৩ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।

এর সঙ্গে অন্য প্রস্তাব হলো সম্পূরক শুল্ক হার ৪৮ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা এবং এর ঊর্ধ্বে যে দুটি স্তরে সম্পূরক শুল্ক বিদ্যমান আছে তাকে যথাক্রমে ৬১ এবং ৬৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬২ এবং ৬৪ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।

অর্থমন্ত্রী জানান, বিড়ির ভয়াবহতা সিগারেটের চেয়েও বেশি। এছাড়া, বিড়ি উপখাতটি অনেক সংকুচিত হয়ে গেছে। এ খাতে নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যাও বর্তমানে নগণ্য। বর্তমানে ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকার বিড়ির বাজারমূল্য হলো ৭.০৬ টাকা আর ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকার প্রতি প্যাকেটের মূল্য হলো ৭.৯৮ টাকা।  দু’ধরনের বিড়ির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সম্পূরক শুল্ক হার যথাক্রমে ২৫ ও ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ ও ৩৫ শতাংশে বৃদ্ধি করার প্রস্তাব করেন তিনি।

এতে ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকার প্যাকেটের দাম হবে সাড়ে ১০ টাকা আর ২০ শলাকার প্রতি প্যাকেটের দাম হবে ১২ টাকার একটু উপরে।

এছাড়া জর্দা ও গুলের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ পণ্য দু’টির উপর বিদ্যমান সম্পূরক শুল্ক হার ৬০ শতাংশ হতে বৃদ্ধিপূর্বক ১০০ শতাংশে নির্ধারণের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।