English Version
আপডেট : ২৮ মে, ২০১৬ ১৫:১৬

সাতগ্রামে ব্যালট ছিনতাই দায়ে দুই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
সাতগ্রামে ব্যালট ছিনতাই দায়ে দুই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত
আড়াইহাজারে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ভোটগ্রহণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে।
 
শনিবার (২৮ মে) ভোট চলাকালে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে ওই সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। ব্যালট পেপার ছিনতাই ও সহিংসতার কারণে উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের দুইটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সকাল ৯টায় বিশনন্দী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে দয়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে  ব্যালটে প্রকাশ্যে সিলমারা কেন্দ্র করে দুই প্রার্থীর বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে  আলী আক্কাশ, শাহজালাল, শওকত, ইয়ানুসসহ ৭ জন আহত হন। খাগকান্দা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের শম্ভুপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মেম্বার প্রার্থী জাকির হোসেনের সমর্থকদের সাথে অপর প্রার্থী মোতালিবের সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
 
এতে পুলিশসহ অন্তত ৮ জন আহত হন। এদের মধ্যে মনির হোসেন নামে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাইজাদী ৭নং ওয়ার্ডের সিংহদী মাদ্রাসা কেন্দ্রে ২ মেম্বার প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের কারণে এক ঘন্টা ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়। দুপুর ১২টায় চৈতনকান্দা হাইস্কুল কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ভূইয়া ও বিদ্রোহী প্রার্থী ইকবাল রহমান রিপনের সমর্থকদের মধ্যে কেন্দ্র দখল নিয়ে সংঘর্ষে অন্তত ৫ জন আহত হন। এসময় পুলিশ লাঠিচার্জ ও কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সাতগ্রাম ইউনিয়নে ছনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ব্যালট পেপার লুট হওয়ায় কেন্দ্রটিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় একই ইউনিয়নের রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোরশেদ আলম দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।