English Version
আপডেট : ২৫ মে, ২০১৬ ২০:১৮

‘নজরুল মানুষকে মানুষ হিসেব স্বীকৃতি দিয়েছে’

অনলাইন ডেস্ক
‘নজরুল মানুষকে মানুষ হিসেব স্বীকৃতি দিয়েছে’

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘নজরুল মানুষকে মানুষ হিসেব স্বীকৃতি দিয়েছেন, মানুষ হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিয় করিয়ে দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধে তার কবিতা ও গান উদ্বুদ্ধ করেছেন।’

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কবির বাল্যস্মৃতি বিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুরে জেলা প্রশাসন ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত উৎসবের উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। বিদ্রোহী কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে দরিরামপুর নজরুল একাডেমি মাঠে আয়োজন করা হয়েছে নজরুল বই ও গ্রামীণ মেলা।

জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকীর সভাপতিত্বে ‘সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতা রোধে নজরুলের প্রাসঙ্গিকতা’- প্রতিপাদ্য বিষয়ে দরিরামপুর নজরুল মঞ্চের আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মতিন সরকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু জাফর রিপন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নজরুল স্মারক বক্তা ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম।

কবির জন্মদিন উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে ‘গাহি সাম্যের গান’ মঞ্চে অনুষ্ঠানমালার প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. রণজিত কুমার বিশ্বাস, নাট্যব্যক্তিত্ব ম. হামিদ, প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক শান্তনু কায়সার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এ এম এম শামসুর রহমান।

সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম।

অনুষ্ঠানমালা উপভোগ করতে কবি ভক্ত ও অনুরাগীদের পদচারণায় মুখরিত নজরুল একাডেমি মাঠ ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ত্রিশালবাসীর প্রাণের এই উৎসবে শামিল হতে দূর-দূরান্ত থেকে আত্মীয়-স্বজন, কবি ভক্ত-অনুরাগীরা ঘুরে ফিরছেন কবির স্মৃতিধন্য কাজির শিমলা গ্রামের দারোগা বাড়ি, ত্রিশাল নামাপাড়া গ্রামের বিচুতিয়া বেপারী বাড়ি, নজরুল মঞ্চ আর বটতলায় প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।

প্রতি বছরের মতো এবারো দরিরামপুর নজরুল একাডেমি মাঠে বই ও গ্রামীণ মেলায় উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। আবহমান গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যের সব কিছুই স্থান পাচ্ছে গ্রামীণ মেলায়। সন্ধ্যায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।