English Version
আপডেট : ১০ এপ্রিল, ২০১৬ ১৬:২৪

অপরাধীদের সুষ্ঠু জীবনে ফিরিয়ে আনা আমাদের দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
অপরাধীদের সুষ্ঠু জীবনে ফিরিয়ে আনা আমাদের দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শাস্তি দিলাম, এটাই শেষ নয়। তাদের অপরাধ প্রবণতা থেকে সরিয়ে আনতে হবে। অপরাধীদের সংশোধন করে সুষ্ঠু জীবনে ফিরিয়ে আনা আমাদের দায়িত্ব।

রোববার (১০ এপ্রিল) সকাল ১১টায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে নবনির্মিত কেন্দ্রীয় কারাগার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কারাবন্দীদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন মোবাইলের যুগ। কারাগারে পাবলিক ফোন ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে। কারাবন্দীরা যাতে অন্তত মাসে একবার পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারে। তাহলে সে মানসিকভাবে শান্তি পাবে, স্বস্তি পাবে। এতে হয়ত অপরাধের কাজ থেকে দূরে থাকবে। কারণ, দীর্ঘদিন আপনজনদের না দেখার কষ্ট আমাদের (বঙ্গবন্ধু পরিবারের) জানা আছে।   শেখ হাসিনা বলেন, ৬৬ সালে আগরতলা মামলায় গ্রেফতারের পর ছয় মাস বঙ্গবন্ধু কোথায় ছিলেন, কীভাবে ছিলেন, তা আমরা জানতাম না। ৫ মাস পরে ষষ্ঠ মাসে কোর্টে উঠানোর পর আমরা দেখলাম।   জেলখানার সুযোগ-সবিধা বাড়ানো বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে বিদ্যুৎ দেব। তবে প্রতিটি বিল্ডিংয়ে সোলার প্যানেল বসাতে হবে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য জলাধারও থাকতে হবে। জেলাখানায় (কর্মরত) যারা থাকেন, তাদের চাকরিকালীন সমস্যা আছে। আমরা সেটা দেখবো। কারাগারে অফিসারও বাড়াতে হবে। হাসপাতাল আরও বড় করতে হবে। ছোটখাটো হাসপাতাল দিয়ে হবে না। পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকেও নজর দিতে হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।  

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে বিরোধীতাকারীদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উদ্ভট চিন্তা-ভাবনা এদেশের মানুষের আছে। জানি না এটা কীভাবে আসে। কয়লার ট্রলার ডুবে গেছে নদীতে, বলছে পানি নাকি সব দূষিত হয়ে গেছে। আমি জানি না এটা কতটা সার্টিফাইড। অথচ কয়লা দিয়ে পানি দূষণমুক্ত হয়। আমরা কয়লা দিয়ে দূষণমুক্ত করে পানি খেতাম।   তিনি বলেন, এই যে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করতে বাধা দিতে গিয়ে মানুষের প্রাণহানি হলো।আমি জানি না, উদ্দেশ্যটা কী? আমি বলতে পারবো না। ৯৬'র আমলে রংপুরেও এমন বিরোধীতা হয়েছে। অথচ আমরা সেখানে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করেছি,কারো কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানান তিনি।