English Version
আপডেট : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১২:২৬

রাজাকার তাহের, ননীর ফাঁসি অথবা ফায়ারিং স্কোয়াড

অনলাইন ডেস্ক
রাজাকার তাহের, ননীর ফাঁসি অথবা ফায়ারিং স্কোয়াড

 

একাত্তরে হত্যা, ধর্ষণের মতো যুদ্ধাপরাধের দায়ে নেত্রকোণার রাজাকার মো. ওবায়দুল হক ওরফে আবু তাহের ও আতাউর রহমান ননীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।সরকার ইচ্ছা করলে তাহের-ননীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে অথবা গুলি করে (ফায়ারিং স্কোয়াড) হত্যার মধ্য দিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করতে পারে।

বিচারপতি আনোয়ারুল হক নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শাহিনুর ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদী। রায়ে বলা হয়, আসামি তাহের ও ননীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ছয়টি অভিযোগের মধ্যে চারটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তাহের ছিলেন নেজামী ইসলামী পার্টির স্থানীয় নেতা। চার দশক পরে যুদ্ধাপরাধের দায়ে গ্রেপ্তার হওয়ার সময় বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন তিনি।

তাহের ও ননী একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীকে সহযোগিতা করতে গঠিত রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। সে সময় নেত্রকোণা জেলা সদর ও বারহাট্টা থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় তারা মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য তারা ‘কুখ্যাত রাজাকার’ হিসেবে পরিচিতি পান বলে এ মামলার বিচারে উঠে এসেছে।

রায়ের জন্য দুই যুদ্ধাপরাধীকে সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসা হয়। সাড়ে ১০টার পর তাদের কাঠগড়ায় তুলে পড়ে শোনানো হয় ২৫৬ পৃষ্ঠার রায়ের সংক্ষিপ্ত সার। পরে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান সাজা ঘোষণা করেন।নিয়ম অনুযায়ী এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ পাবেন তাহের ও ননী।

(বিস্তারিত আসছে)