English Version
আপডেট : ১১ আগস্ট, ২০১৭ ১৫:৫০

মেয়েদের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট, যা অনেকেই জানেন না

অনলাইন ডেস্ক
মেয়েদের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট, যা অনেকেই জানেন না

মেয়েদের নিয়ে গবেষণার শেষ নেই। শেষ নেই কৌতূহলেরও। যত গবেষণাই হোক না কেনো, নারীর গুণাগুণ বিচার করে পছন্দের জীবন সঙ্গী খুঁজে পাওয়া অতটা সহজ নয়। তবে প্রতিটি মেয়ের কিছু বৈশিষ্ট থাকে যা দিয়ে একজন মেয়ে বা একজন নারীকে লক্ষী বিবেচনা করা যায়। এখানে তেমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বেশিষ্ট তুলে ধরা হল। 

নাক
যদি মেয়েদের নাক সুগোল, সবল হয় তবে তারা সবার প্রিয় হয় । নাকের অগ্রভাগ মোটা উচুঁ এবং মধ্যভাগ নীচু হলে তারা খুব অলক্ষণা হয়। নাকের অগ্রভাগ কুঞ্চিত ও রক্তবর্ণ হলে তারা সত্বর বিধবা ও দু:খিনী হয়। নাক ছোট বা দীর্ঘ হলে তারা খুব ঝগড়াটে হয়। নাক চ্যাপটা হলে তারা দাসী বৃত্তিতে লিপ্ত থাকে। আবার মেয়েদের নাকের ডগা লাল এবং কোচকানো হলে তাদের বিধবা সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু যেসব পুরুষের নাকের ডগা বাঁকা থাকে তারা নেশাগ্রস্ত হয়। এবং যেসব পুরুষের নাকের ডগা শুকনো তারা স্বল্পায়ু হয়।

দাঁত
নারীর দুই পাটিতে ৩২টি ঝক ঝকে সুন্দর সাজানো দাঁত থাকলে তারা খুব সুলক্ষণা হয়। দাঁত মোটা ও বিবর্ণ হলে তারা সুখী হয়। তবে নারী পুরুষ উভয়ের দাঁত উপরের পাটি থেকে নিচের পাটিতে বেশি হলে তারা মাতৃবিদ্বেষী হয়। যাদের দাঁত অসমান এবং বিবর্ণ থাকে তারা দ্বিচারিনী ও দুশ্চরিত্রা হয়। নারীদের দাঁত খুব বড় বড় হলে তারা নানা অসুখে ভুগে থাকে। মেয়েদের উপরের পাটির সামনের দুটো দাঁত বড় ও উঁচু হলে তারা সুখী হয়। যাদের দাঁতের উপরে দাঁত ওঠে তাদের বলে গজদন্তী এবং তারা সুখী হয়। কিন্তু ছেলে মেয়ে উভয়ে যারা দাঁত চিপে কথা বলে খুব কুটিল ও মতলববাজ হয়। 

ঠোঁট
মেয়েদের ঠোঁট খুব উন্নত হলে তারা ঝগড়াটে হয়। ঠোঁট কালো ও মোটা হলে তারা বিধবা হয়। ঠোঁট অমসৃণ এবং মাঝখানটা নীচু হলে তারা দু:খিনী হয়। মেয়েদের ঠোঁট বড় হলে তারা খুব মুখরা হয়। ঠোঁট ছোট পাতলা ও মসৃণ হলে তারা সুলক্ষণা যুক্তা হয়। কিন্তু যেসব মেয়েদের দুটি ঠোঁটই সমান সাধারণত দেখা যায় তারা সুখী হয়ে থাকে।

জিহ্বা 
মেয়েদের জিহ্বা পাতলা হলে তারা কুব কটু ভাষিনী হয়। যাদের জিহ্বা মধ্যম প্রকৃতির হলে তারা সখী হয়। যেসব মেয়েদের জিহ্বা মোটা তারা শান্ত, জেদি ও বিধবা হয়ে থাকে। মেয়েদের জিভ বেশি লাল হলে তারা মিষ্টি প্রিয় হয়। কিন্তু পুরুষের জিভ খুব বেশি লাল হলে তারা বিদ্বান ও বুদদ্ধিমান হয়। যেসব লোক সময়ে অসময়ে জিভ ঠোঁটে বুলায় তারা কামুক ও লোভী হয়ে থাকে।


হাত
মেয়েদের হাত কুব দীর্ঘ হলে তারা পতিঘতিনী হয়। নারীদের হাত কৃষ্ণ বর্ণ হলে তারা চৌর্যবৃত্তিতে লিপ্ত হয়। যেসব নারীদের হাতের থাবা বাঘের থাবার মত বড় তারা যে কোন পাপ কাজে লিপ্ত হয়। নারীদের হাত বানরের মত হলে তারা খুবই গরীব হয়। মেয়েদের হাতের উপরেরর শিরা দেখা গেলে তারা দরিদ্র হয়। যে মেয়ের বাহু মাংসল গোল এবং দেখতে সুন্দর হয় সে সৌভাগ্যশালী হয়। যে মেয়ের বাহু শিরা বহুল তারা দু:খী হয়। যাদের বাহু দীর্ঘ হয় তারা সকলের ভাল করার চেষ্টা করে। যাদের বাহু ছোট তারা ভীষণ চতুর হয়। যে মেয়ের বাহুতে শিরা ভেষে থাকে এবং লোম থাকে তারা পতি সুখ পায় না এবং দু:খী হয়ে জীবন কাটায়।


স্তন 
স্তন দেখে পুত্র সন্তান ও কন্যা সন্তান নিরুপিত হয়। গর্ভবতী নারীর ডান স্তন শক্ত ও বাম স্তনের চেয়ে বেশি উন্নত হলে পুত্র সন্তান হবে। আবার বাম স্তন ডান স্তনের চেয়ে উন্নত হলে কন্যা সন্তান হবে। যেসব নারীর স্তন গোলাকার, লোমহীন, স্থুল ও সমোচ্চ সে নারী খুব সুলক্ষণা হয়। স্তনের বৃন্ত অনুন্নত হলে সে ভাগ্যবতী হয়। স্তনের চার পাশে যদি কালো ও স্তন বৃন্ত ফাটা ফাটা এবং স্কনে ফাটা ফাটা দাগ থাকে তারা চির রুগ্না ও দরিদ্র হয়। যেসব মেয়েদের দুটি স্তনের মধ্যে ফাঁকা বেশি থাকে তাদের দু:খ ঘোচে না। তবে স্তনের মধ্যে ফাঁকা কম থাকলে তারা সুখী হয়ে থাকে। কিন্তু মেয়েদের স্তন মোটা ও পুরু এবং তা আকৃতিতে অনেক বড় হয় তারা দুশ্চরিত্রা হয়ে থাকে।