English Version
আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০৯:৪৮

নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় এই ৫টি ভিটামিন

অনলাইন ডেস্ক
নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় এই ৫টি ভিটামিন

ব্যস্ত এই জীবনে এতো কাজের ভিড়ে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে ঠিক মতো খেয়াল রাখতে পারেন না অনেক নারীরাই। কারণ আধুনিক নারীদের বাইরের কাজের পাশাপাশি ঘরেও কাজ করতে হয়। আবার স্বাস্থ্যসচেতন নারীরা স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলতে পছন্দ করেন। তবে কিছু ভিটামিন অব্যশই ডায়েট চার্টে থাকা উচিত। এই ভিটামিনগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে নানা শারীরিক সমস্যা সমাধান করে থাকে।

১. ভিটামিন-এ
সব বয়সী নারীদের জন্য ভিটামিন-এ প্রয়োজনীয়। এটি হাড়, দাঁত মজবুত করে। এর সাথে টিস্যু, ত্বক এবং পেশী মজবুত করে থাকে।
নিয়মিত গ্রহণে ভিটামিন-এ দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতার ঝুঁকি কমায়, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়, বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে। টমেটো, তরমুজ, পেয়ারা, ব্রকলি, পেঁপে, দুধ, কলিজা ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ভিটামিন-এ রয়েছে।
২. ভিটামিন-ডি
ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং মিনারেল সমৃদ্ধ ভিটামিন-ডি সামুদ্রিক মাছ, ফ্যাটি ফিশ, ডিম, দুধ ইত্যাদি খাবারে রয়েছে। এটি পিএমএসের লক্ষণ কমিয়ে দেয়। নিয়মিত সূর্যের আলোর সংস্পর্শে থাকা হাড়ের সমস্যা অস্টিওপরোসিস রোধ করে।
৩. ভিটামিন-বি
ভিটামিন-বি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেয় এমনটি বলেন Mary Ellen Camire, University of Maine এর পুষ্টিবিদ। বি-৬ লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি করে। ভিটামিন-বি৯ ফলিক এসিড নামে পরিচিত যা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডিপ্রেশন, ক্যান্সার ও মেমোরি লস প্রতিরোধ করে। 
ভিটামিন-বি৬ ডিপ্রেশন, হৃদরোগ এবং স্মৃতি হারানোর সমস্যা কমতে সাহায্য করে। মাছ, মাংস, বিনস, সবজি, ওটমিল ফল ইত্যাদি ভিটামিন-বি সমৃদ্ধ খাবার। প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন-বি১২, ভিটামিন-বি৯ ভিটামিন-বি৬, ভিটামিন-বি৭ ইত্যাদি খাবার রাখা প্রয়োজন।
৪. ভিটামিন-ই
বয়স বৃদ্ধি রোধ, হার্ট সুস্থ রাখা, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ত্বক এবং চুল সুস্থ রাখতে ভিটামিন-ই অপরিহার্য। বাদাম, কর্ লিভার অয়েল, পালং শাক, সানফ্লাওয়ার সিডস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-ই রয়েছে।
৫. ভিটামিন-সি
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন-সি বেশ উপকারী। এটি দেহের অভ্যন্তরীণ টিস্যুর উন্নতি করে, বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। কমলা, আঙ্গুর, জাম্বুরা, স্ট্রবেরি, ব্রকলি ইত্যাদি খাবারে ভিটামিন-সি রয়েছে।
তবে এটা জেনে রাখা ভালো, যে আপনি যে ভিটামিনই গ্রহণ করুননা কেনো অবশ্যই আপন আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন। তার সাথে আলোচনা করে আপনার সমস্যা সম্পর্কে জানুন তারপর ওষুধ সেবন করুন।
তথ্য ও ছবি : ইন্টারনেট