English Version
আপডেট : ১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ১৫:২৭

সিআইপি কার্ড পেলেন নোমান গ্রুপের ডেপুটী ম্যানেজিং ডাইরেক্টর

অনলাইন ডেস্ক
সিআইপি কার্ড পেলেন নোমান গ্রুপের ডেপুটী ম্যানেজিং ডাইরেক্টর

রপ্তানি বাণিজ্যে বিশেষ অবদান এবং বাণিজ্য সংগঠনে নেতৃত্বে দেয়ায় ১৬৪ ব্যবসায়ীকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সিআইপি কার্ড দেয়া হয়েছে। ২০১৪ সালে অবদানের জন্য তাদের এ স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রপ্তানির জন্য পেয়েছেন ১৩১ জন। আর পদাধিকার বলে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এর ৩৩ জন পরিচালক এই মর্যাদা পেয়েছেন।
এর মধ্যে নিট খাতে সিআইপি মর্যাদা পেলেন লোহাগাড়ার কৃতিসন্তান নোমান গ্রুপের ডেপুটী ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবদুল্লাহ মোহাম্মদ জোবায়ের। ২০১৪ সালে রপ্তানি বাণিজ্যে বিশেষ অবদান রাখায় তাকে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
রোববার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সিআইপিদের হাতে এই কার্ড তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব সুভাশিষ বসু। আর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রথম সহ-সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর অনেকে বলেছিল বাংলাদেশ হবে তলাবিহীন ঝুড়ি। দরিদ্রতম দেশের মডেল হবে বাংলাদেশ। আর আজকে তারাই বলছেন, বাংলাদেশের বিস্ময়কর উত্থান হয়েছে। বাংলাদেশকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে অভিহিত করছেন তারা।
সিআইপি কার্ডধারীরা এক বছর পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। সিআইপি কার্ডের মেয়াদকালীন বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশপত্র ও গাড়ির স্টিকার পাবেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান ও মিউনিসিপ্যাল আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন।
সিআইপি কার্ডধারীরা ব্যবসায়-সংক্রান্ত ভ্রমণে বিমান, রেল, সড়ক ও জলযানে আসন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। ব্যবসায়-সংক্রান্ত কাজে বিদেশ ভ্রমণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ভিসাপ্রাপ্তির জন্য সংশ্নিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ করে `লেটার অব ইন্ট্রুডাকশন` ইস্যু করবে। সিআইপিরা বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহারের সুবিধা পাবেন।
সিআইপি হলেন যারা:
কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাত ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী। এ খাতে অন্য সিআইপিরা হলেন- স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, মোহাম্মদ মনসুর, গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, গকুল চন্দ্র সাহা, শেখ আবদুল কাদের, রফিকুল ইসলাম (লিটন) ও আবদুল মোতালেব।
তৈরি পোশাক খাতে ওভেন ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ। এই ক্যাটগারিতে অন্যরা হলেন- আবদুস সালাম মুর্শেদী, আতিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, শরীফ জহীর, আরশাদ জামাল, আলী আজিম খান, মুজিবুর রহমান, মেজবাহউদ্দিন খান, আজিজুল ইসলাম, মহিদুল ইসলাম খান, কাজী এ এফ এম জয়নুল আবেদিন, ফেরদৌস পারভেজ বিভন, ইতেমাদ উদ দৌলাহ, ওয়াসিম রহমান, তানভীর আহমেদ ও তানভীর আহমেদ।
নিট ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন- গোলাম মোস্তফা, স্যামুয়েল এস চৌধুরী, নাফিস সিকদার, গাওহার সিরাজ জামিল, মাসুদুজ্জামান, অমল পোদ্দার, নাজীম উদ্দিন আহমেদ, শামসুজ্জামান, আসাদুল ইসলাম, মহিউদ্দিন ফারুকী, নাবিল উদ দৌলাহ, জয়নাল আবেদীন মোল্লা, রিয়াজ উদ্দন আল মামুন, আসিফ আশরাফ, আসিফ মঈন, আবদুস সোবহান, আবদুল কাদির মোল্লা, আসিফ ইব্রাহিম, মশিউর রহমান চমক, এম এ সবুর, এফ এম কবির মহিউদ্দিন, নাসির উদ্দিন, প্রীতি পোদ্দার, সাফিনা রহমান, নুরুল আলম চৌধুরী ও অঞ্জন শেখর দাশ।
নিট খাতে আরও যারা সিআইপি হয়েছেন- শেখ এইচ এম মোস্তাফিজ, রানা শফিউল্লাহ, রাকিবুল কবির, এম ডি এম জালাল উদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ আবদুল জব্বার, খলিলুর রহমান, সুলতানা জাহান, শাহরিয়ার আহমেদ, এ বি এম সামসুদ্দিন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম খান এবং বস্ত্র খাতে কুতুব উদ্দিন আহমেদ, সাখাওয়াত হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, মোহাম্মাদ আবদুল্লাহ জাবের ও আবদুল্লাহ মোহাম্মদ জুবায়ের।
এছাড়া পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, ওষুধসহ আরও কয়েকটি খাতে অবদানের জন্য বেশ কয়েকজনকে সিআইপি কার্ড দেওয়া হয়।