English Version
আপডেট : ১২ নভেম্বর, ২০১৭ ১৫:৫৫

বিএনপি’র সমাবেশে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা

অনলাইন ডেস্ক
বিএনপি’র সমাবেশে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, গণতান্ত্রিক রীতিনীতি মেনে বিএনপি এই সমাবেশ করবে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে এই সমাবেশে সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

রবিবার সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখতে এসে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন,বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে সব দলের সভা-সমাবেশ করার অধিকার রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে বিএনপিকে শর্ত সাপেক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছি । এখানে যাতে বিশৃঙ্খলা না হয়, জনদুর্ভোগ না হয়, যানজটের সৃষ্টি না হয়। কোন ধরনের নাশকতা- ধ্বংসযজ্ঞ না হয়। সেই শর্তগুলো দেয়া হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা প্রত্যাশা করছি, যে শর্ত দিয়েছি। সুশৃঙ্খলভাবে তারা (বিএনপি) সমাবেশ করবে। কোনভাবে জনভোগান্তি সৃষ্টি করবে না। এর পরেও যদি কেউ জনভোগান্তি সৃষ্টি করে। অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। কারণ দেশে কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশ আজ রবিবার। সমাবেশ থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্দদলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়ার এ সমাবেশের ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। রাজধানী ছাড়াও আশপাশের কয়েকটি জেলার বিএনপির নেতাকর্মীরাও এ সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন। লক্ষ্য একটাই, কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিপুল উপস্থিতির মাধ্যমে সমাবেশকে জনসমুদ্রে পরিণত করা।

সোহরাওয়ার্দীতে অতীতের সমাবেশের সব রেকর্ড ভাঙতে চায় দলটি। সোহরাওয়ার্দীর এই সমাবেশের মাধ্যমে দেশবাসীর পাশাপাশি সরকারকেও কিছু বার্তা দিতে চায় দলটি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, সমাবেশটি জাতীয় রাজনীতি ও বিএনপির জন্য সাংগঠনিকভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ সমাবেশ থেকে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন। যা দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।