English Version
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০১৭ ১৯:৪৪

‘রাষ্ট্র যখন ধ্বংসের পথে, তখন দায়িত্ববোধ থেকেই সুপ্রিমকোর্ট মুখ খুলেছেন’

অনলাইন ডেস্ক
‘রাষ্ট্র যখন ধ্বংসের পথে, তখন দায়িত্ববোধ থেকেই সুপ্রিমকোর্ট মুখ খুলেছেন’

রাষ্ট্র যখন ধ্বংসের পথে, তখন দায়িত্ববোধ থেকেই সুপ্রিমকোর্ট মুখ খুলেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, রায়ে যে পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে, এরপর বলব সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।

শনিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবদলের উদেগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। 
 
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে যখন সুপ্রিম কোর্ট তাদের রায়ের মধ্য দিয়ে দেশের বর্তমান অবস্থার আসল চেহারা তুলে ধরেছেন, তখন তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন যে এখন তাদের খুব দুঃসময়। দুঃসময় কেনো? বলছে যে এখন নাকী ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সরকার এখন সবখানে ষড়যন্ত্র খুঁজছে। 
 
তিনি বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসায় নৈতিকতার ধারে কাছেও নেই আওয়ামী লীগ। তারা এখনও বন্দুক-পিস্তল নিয়ে জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। বন্দুক-পিস্তল না থাকলে তারা এক সেকেন্ডও রাস্তায় দাঁড়াতে পারবে না।
 
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিএনপিকে নৈতিকতা শেখানোর আগে সড়কে বেহাল দশার দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন। 

মির্জা ফখরুল বলেন, তোমরা রাষ্ট্র চালাতে পারো না, ব্যর্থ হও। এয়ারপোর্টের মধ্যে তিনতলায় আগুন লাগে, সমস্ত বন্ধ করে দিতে হয়। হজযাত্রীরা যেতেও পারছেন না একটার পর একটা সমস্যা তৈরি হয়ে যাচ্ছে, তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তোমরা ঢাকা শহরের রাস্তা ঠিক করতে পারো না। বাইরের কথা বাদই দেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদেরকে তোমরা সাধারণ সভা করতে দাও না, আমাদেরকে মাঠের মধ্যে জনসভা করতে দাও না। ঢাকার বাইরে গতকালও চাঁদপুর থেকে আমাকে টেলিফোন করেছিলো ম্যাডামের আরোগ্য কামনায় মিলাদ করতে চেয়েছিলো তাদেরকে বাইরে মিলাদ করতে দেয়নি। শেষে মসজিদের ভেতরে গিয়ে তারা মিলাদ করেছে, সব জায়গায় এসব কাজ করছে। এখন সেখানে তাদের ভয় যদি মিলাদ করতে গিয়ে এসে বসে পড়ে, এখান থেকে আবার যদি আন্দোলন শুরু না হয়ে যায়, সেখানে ক্ষমতা চলে যায়।